চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনে দেয়া অনুমতি বাতিল করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান এ তথ্য জানান।
এদিন মামলার বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়েছে, মামলাটি ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে চলমান আছে, তাই প্রাকৃতিক কারণে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃতদেহের দেহাবিশেষ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। ১৯৯৭ সালের ১৩ জানুয়ারি ভিকটিমের মরদেহ আদালতের নির্দেশে উত্তোলন করা হলে হাইলিডি কম্পোস্ট (মাত্রা অতিরিক্ত পচনশীল) অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল মর্মে উল্লেখ করা হয়।
সালমান শাহের মরদেহ হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজার প্রাঙ্গনে দাফন করা হয়েছিল এবং বর্তমানে সেখানেই কবরস্থ আছে, তাই ভিকটিমের মরদেহ বারবার উত্তোলনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে এবং ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হতে পারে। বারবার মরদেহ উত্তোলনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানবে এবং ব্যাপক বাধা সৃষ্টিসহ সংঘর্ষ হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে।
বাদী মো. আলমগীর কুমকুম এবং তথ্য প্রদানকারী নীলা চৌধুরীর ব্যাপক আপত্তি আছে, তাই সালমান শাহের মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল করা একান্ত প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২০ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ মরদেহ উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে আবেদনটি করেন। গত ২৪ মে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।
গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। এই নির্দেশের পর ওইদিন মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামীরা হক ও খলনায়ক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সামীরা হকের মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ.












